সীতাকুণ্ডের প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা হলো, ইপসা (YPSA - Young Power in Social Action) যার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হলেন ডঃ মোঃ আরিফুর রহমান। ১৯৮৫ সালের ২০ মে তিনি স্থানীয় যুব সমাজকে সাথে নিয়ে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। যা পরবর্তীতে একটি পূর্ণাঙ্গ এনজিও হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ডঃ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মূলত যুব উন্নয়ন, টেকসই উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্ভাবনীমূলক কাজের জন্যই সুপরিচিত। ২০২৫ সালে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। সামাজিক উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী কাজের জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও ফেলোশিপ পেয়েছেন। উনার লক্ষ্যে ছিলো দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গঠন এবং যুব শক্তির মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা
চট্টগ্রামের প্রথম সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত কমিউনিটি রেডিও ''রেডিও সাগর গিরি এফএম ৯৯.২'' এর প্রধান সংগঠক তিনি। তিনি সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক জার্নাল “Social Change”এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ফোরামের সাথে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত। যেমন বাংলাদেশ এনজিও নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (BNNRC) ও বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (BATA)
ব্যক্তিগত জীবনে তার সহধর্মিনী ডঃ শামসুন্নাহার চৌধুরী (লোপা) তিনি একজন উন্নয়ন গবেষক এবং কবি। ডঃ মোঃ আরিফুর রহমান সীতাকুণ্ডের স্থানীয় যুব সমাজকে সংগঠিত করার মাধ্যমে তার সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। সীতাকুণ্ড ও বৃহত্তর চট্টগ্রামে সমাজ উন্নয়নে তার ভূমিকা অত্যন্ত গভীর। সীতাকুণ্ডে তার মহৎ কাজের জন্য তিনি স্থানীয়ভাবেও সম্মানিত হয়েছেন।
যেমন - ১৯৯৮ সালে সীতাকুণ্ড উপজেলা সমাজকল্যাণ ফেডারেশন থেকে তিনি ''সেরা সমাজকর্মী'' পুরস্কার পান। ১৯৯৬ সালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজকল্যাণ ফেডারেশন থেকে 'গোল্ড মেডেলিস্ট সোশ্যাল ওয়ার্কার' সম্মাননা লাভ করেন তিনি। ডঃ মোঃ আরিফুর রহমান বিশ্বাস করেন যে যুব সমাজ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই একটি টেকসই ও সমতার সমাজ গঠন সম্ভব।
ডঃ মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের অবদানে সীতাকুণ্ডের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ইতিবাচক পরিবর্তন অনুভব করেন।
0 Comments